যারা ট্রাফিক সিগন্যালে ভিক্ষা করে, তুমি যদি তাদের লাখ টাকা দাও জানো কী করবে তারা ?
আমি ছোট করছি না। তারা সেই টাকা দিয়ে দামি কাপড় কিনবে, ভালো খাওয়া-দাওয়া করবে,
হয়তো একটা সস্তা গাড়িও কিনে ফেলবে আর ঘুরে বেড়াবে।
দেখতে মনে হবে বেশ মজা করছে, দারুণ লাইফস্টাইল।
কিন্তু কিছুদিন পরেই তুমি আবার তাকেই ওই একই জায়গায় ভিক্ষা করতে দেখবে।
এটা এক ধরনের থিওরি— যদি সারা পৃথিবীর টাকা সমানভাবে সবাইকে দিয়ে দেওয়া হয়,
তাহলে কিছুদিনের মধ্যেই ধনী মানুষ আবার ধনী হয়ে যাবে আর গরিব মানুষ আবার গরিব হয়ে যাবে।
কারণ, তাদের কাছে ফাইন্যান্সিয়াল নলেজ নেই।
আর সেই জায়গায় তুমি-আমি- কিছু সংখ্যক আমরা আছি,
কারণ আমাদের আমাদের দেশের এডুকেশন সিস্টেমে
ফাইন্যান্সিয়াল এডুকেশন শেখানো হয় না।
সহজ কথা হলো—
যদি সবাই ধনী হয়ে যায়, তাহলে গরিব থাকবে কে ?
তাই ফাইন্যান্সিয়াল এডুকেশন এর বই পড়ো,
বড় বড় সফল মানুষদের দেখো, তাদের থেকে শিখো।
কারণ এই পৃথিবীতে তোমাকে ধনী বানানোর মতো
তোমার বাইরে আর কেউ নেই।
মিলছি ১০০ দিনের চেঞ্জিং সিরিজের পরিবর্তে
আজকের সময়ে সফল হওয়া খুবই সহজ।
তুমি তোমার আশেপাশে তাকাও—লোকেরা কী করছে দেখো।
যেখানে চারজন বসে থাকবে, সবাই ফোনে ব্যস্ত।
প্রত্যেকেই নিজের জীবনে হতাশ,
ছোটখাটো কারণে হার মেনে নিয়েছে।
সবাই জাঙ্ক ফুড খাচ্ছে,
দেখানোর নেশায় পুরো পৃথিবী পাগল হয়ে গেছে।
ইএমআই দিয়ে জীবন চলছে,
পুরো দিন শুধু রিলস দেখে কাটিয়ে দিচ্ছে।
তোমার প্রতিযোগিতা আসলে এদের সাথেই।
ডিসট্রাকশন বেশি, প্রতিযোগিতা কম।
মানে এখনই চলছে গোল্ডেন পিরিয়ড।
তাই আজ থেকেই জেগে ওঠো,
কারণ ফাঁকা রাস্তায় কবে ট্রাফিক চলে আসে—
তা কেউ বুঝতেই পারে না।
মিলছি ১০০ দিনের চেঞ্জিং সিরিজের পরবর্তী পাটে . . .
মিডল ক্লাস মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী জানো ?
আমরা নিজেদের সত্যিকারের ধনী বানানোর থেকে বেশি গুরুত্ব দিই ধনী দেখাতে।
দামি ঘড়ি, দামি ফোন ফোন, জামাকাপড় একদম ঝকঝকে—মানে যেখানেই যাই না কেন, যেন সবাই ভাবে আমরা ধনী।
কিন্তু আসল কথা হলো—কেউই আসলে কারো দিকে এমন খেয়ালই করে না।
ধনী মানুষ এসবের পেছনে ছুটে না, কারণ সে জানে যে সে ধনী।
সে চাইলে স্যান্ডেল পরে ঘুরবে, লোকজন যা খুশি ভাবুক।
আর তুমি? লজ্জা পাও—“মানুষ যদি গরিব ভাবে?”—আরে ভাবতে দাও না ভাই, যার যা খুশি ভাবুক।
এভাবেই যদি শুধু অন্যকে বোঝাতে বোঝাতে জীবন কেটিয়ে দাও, তাহলে শেষ বয়সে আফসোস করতেই হবে।
আল্লাহ সবাইকে কোনো না কোনো ট্যালেন্ট দিয়ে পাঠিয়েছেন।
সেটা চিনে নাও, ভেতরে ভেতরে নিজের ওপর কাজ করো, বাইরের শো-অফে নয়। ধনী হওয়ার দিকে মন দাও, দেখানোর দিকে নয়।
মিলছি ১00 দিনের চেঞ্জিং সিরিজের পরবতী পাঠে ...
আমরা সবাই প্রাই এই গল্পের সাথে পরিচিত।
গল্পটা হচ্ছে,
এক ব্যাক্তি নদীতে সিপ দিয়ে মাছ শিকার করছে আর বসে বসে মনের আনন্দে চিল করেছে। হয় তো গান ও গাইছে
যাই হোক।
তখনই আর একজন ব্যক্তির উপস্থিত ঘটল সেখানে যে কিনা একজন বিজনেসম্যান।
ভাই আপনি তো এখানে সময় ইনভেস্ট করছেনই মাছ মারতেছেন তো আপনি এটা অনেক বড় আকারে করেন বাজারে বিক্রি করেন হ্যান ত্যান বিজনেস আইডিয়া দিতে থাকে।
তারপর এই ব্যক্তিটা জিজ্ঞাসা করে তো এত টাকা পয়সা দিয়ে আমি কি করবো। ওই ব্যক্তিটা বললো বাড়ি কিনবেন গাড়ি কিনবেন আরাম আয়েশ করবেন। তখন এই ব্যক্তি বললো ভাই আমি তো বসে আরাম আরেশই তো করতেছি। আমাকে জ্ঞান না দিয়ে আপনি যান।
ভাই এখানে দুইজনেই ঠিক আছে একজন হয়তো লাখ টাকার বিছানায় ঘুমিয়ে 100% সুখ পাচ্ছে সেম আরেকজনও হয়তো মাটির বিছানায় ঘুমিয়ে সেই 100% সুখীই পাচ্ছে
কিন্তু কথা হচ্ছে যখন আপনি আমাদের সোসাইটিতে লক্ষ্য করবেন তো একজন ভবঘুরে বেকার মানুষের থেকে একজন পরিশ্রমী বা ব্যবসায়ী মূল্যটাই অনেক বেশি।
তো আপনি কি করবেন আপনি জানেন আপনি কি একটা মাছ মারবেন নাকি মাছের আরত বানাবেন সেটা আপনার উপরই
মিলছি ১০০ দিনের চেঞ্জিং সিরিজের পরবর্তী পার্টে....
আমি এখান দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম তোমাদের একটা জিনিস দেখাই।
এই রাস্তাটা দেখছো? সরু,উঁচু-নিচু… সামনে কোনো গন্তব্যও চোখে পড়ে না। তাই দেখবে, এই রাস্তায় মানুষ খুব কমই আসে।
কিন্তু এবার আরেকটা রাস্তা দেখো—এটা হলো হাইওয়ে।
স্মুথ, প্রশস্ত, আর প্রতি ১০ কিলোতেই নেভিগেশন বোর্ড বসানো আছে। মানে, তুমি জানো প্রবতী ১০ কিলোমিটার তোমার গন্তব্য কি হতে চলেছে।
যারা শুধু সিম্পল একটা চাকরি করে, ঝামেলাহীন লাইফ কাটাতে চায়—তাদের জন্য এই স্মুথ রাস্তা।
কিন্তু আমাদের মতো যারা বড় স্বপ্ন দেখে, ভিন্ন কিছু করতে চায়—তাদের জন্য ওই ভাঙাচোরা, কঠিন পথটাই সঠিক রাস্তা।
কারণ মনে রেখো—
সহজ পথে কখনো বড় গন্তব্য পাওয়া যায় না।
যে রাস্তায় কষ্ট আছে, সংগ্রাম আছে, সেই রাস্তাতেই আছে সাফল্যে
মিলছি ১০০ দিনের চেঞ্জিং সিরিজের পরবর্তী পাটে . . .
🤔 তোমার পড়ালেখা কি শুধুই গোলামী করার জন্য করছ ??
পড়ালেখা করে কিছু হয় না, ভাই। এই কথাটা অনেকের খারাপ লাগতে পারে , কিন্তু এটাই সত্যি।
তুমি যতই পড়ো না কেন, চাকরিই করবে।
কারণ তুমি তোমার শিক্ষার ব্যবহারই করোনি। শুধু সেই রুলস এ মাথা নিচু করে হেঁটে গিয়েছো।
যেখান থেকে তোমাকে টেনে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন এক চেয়ারে,
যেখানে তোমাকে ৬০ বছর বসে থাকতে হবে এবং ১০ দিনের ছুটির জন্যও অনুমতি চাইতে হবে।
কি, এইজন্যই কি তুমি শিক্ষা নিয়েছিলে?
শিক্ষা দেওয়া হয় যেন মস্তিষ্ক খোলে, শিক্ষা থেকে আসে জ্ঞানপ্রাপ্তি আর জ্ঞানপ্রাপ্তি থেকে আসে ক্ষমতায়ন।
কিন্তু আমাদের সমাজ শিক্ষা’কে সরাসরি চাকরির সাথে বেঁধে ফেলে।
বাবা, ভালো করে পড়াশোনা করো, ভালো চাকরি পাবে।”
আরে বাবা, তুমি কি শুধু চাকরির জন্যই জন্মেছো?
নিজের শিক্ষার ব্যবহার করো নিজের উন্নতির জন্য,
অন্যের জন্য নয়।
মিলছি ১০০ দিনের চেঞ্জিং সিরিজের পরবর্তী পাটে . . .